Showing posts with label HEPA Filters. Show all posts
Showing posts with label HEPA Filters. Show all posts

Sunday, June 14, 2020

Business during Corona Pandemic

 
Businesses during Corona Pandemic

করোনা আবহে সাধারণ দোকানের জন্যে কিছু তথ্য।



উত্তরোত্তর করোনা সংক্রমণের নজির রীতিমত ভীতি সঞ্চার করেছে সাধারণ মানুষের মনে। ইতিমধ্যে ভারতবর্ষে সংক্রমিত রুগীর সংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষ ২২ হাজার মানুষ। কোন মানুষ যে উপসর্গ হীন করোনা রোগের বাহক তা নির্দিষ্ট করে বলা এখন অসম্ভব। কিন্তু এই ভয় নিয়ে তো আর ব্যাবসা বন্ধ রাখা যায়না। সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের যারা একটি দোকানের উপর নির্ভর করে সংসার করেন তাদের জন্যে এই মহামারী এক দুর্বিষহ অধ্যায়। আর্থিক ক্ষতির কোন সীমা পরিসীমা রাখেনি এই করোনা সংক্রমণ। ব্যাবসা তো করতেই হবে, দোকানে যেতেই হবে। কিন্তু কি ভাবে কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললে হয়ত কিছুটা ভয় মুক্ত থাকা যাবে সেই বিষয়ে এই আলোচনা। 
Woman in White Long Sleeve Jacket Shopping For Fruits
Pexels

একদম গোঁড়ার কথা।


একটি তথ্যে বলছে, ২ ফুট দূরত্বে দাঁড়িয়ে একজন সুস্থ ব্যাক্তি যদি ১২ মিনিট ধরে কোন একজন করোনা রুগীর সাথে বা করোনা রোগের বাহকের সাথে কথা বলেন। সেক্ষেত্রে সুস্থ মানুষটির সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা ৭০%। যদি শারীরিক ভাবে এই সুস্থ মানুষটি দুর্বল হয়ে থাকেন তাহলে করোনা রোগের উপসর্গ দেখা দেবে ৩ দিন পর থেকে। অতঃপর প্রায় তিন সপ্তাহের একটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন জীবন যাপন। 

শুধুমাত্র করোনা আক্রান্ত হয়ে দুর্ভোগের কথা যদি না-ও ধরা হয়, তাহলে সামাজিক ভাবে একটা পিছিয়ে পরার সম্ভাবনা রয়েছে। আধুনিক মানুষের মানসিকতা অনুযায়ী বেশ কিছুদিন তারা আপনাকে এড়িয়ে চলবে করোনা রোগের ভয়। ব্যাবসার ক্ষেত্রে আরও বড় ক্ষতি। 
Young friends with medical masks on street
Pexels


কি উপায় আছে সুস্থ থাকার??


১) একেবারে প্রাথমিক নিয়মের হিসেবে দেখতে গেলে বলতে হয় মাস্ক এর ব্যাবহার। কোন অবস্থাতেই, কোন রকম ভাবেই অপরিচিত বা পরিচিত কোন ব্যাক্তিকে, যিনি বাইরে থেকে দোকানে আসছেন, তাদের মাস্ক ছাড়া দোকানে ঢুকতে দেওয়া যাবে না। আপনি যদি সরাসরি খদ্দের এর সাথে কথোপকথন এর  কাজ করছেন তাহলে আপনাকেও মাস্ক পরে থাকতে হবে। 

২) দোকানে প্রবেশের আগে অবশ্যই স্যানিটাইজ করে নিতে হবে খদ্দেরের পোষাক এবং হাত ও পা। জুতো পরে কোন ভাবেই দোকানের ভিতরে প্রবেশ করা যাবে না। যে দোকানে খদ্দের বাইরে দাঁড়িয়ে নিজের জিনিস কেনেন যেমন মিষ্টির দোকান বা ছোট ওষুধের দোকান সেখানে গল্প আলাদা। কিন্তু বদ্ধ ঘর দোকানের ভিতরে বাইরের জুতো পরে কাউকে প্রবেশ করতে না দেওয়াই উচিৎ। হাজার হোক আমরা ভারতীয়। পথে ঘাটে থুতু ফেলা, বা পান খৈনির থুতু ফেলা আমাদের স্বভাব। কাজেই রাস্তা দিয়ে আসার সময় সেই কফ - থুতু মারিয়ে আসা জুতো আপনার দোকানের মেঝের জন্যে বিপজ্জনক। 


৩) কুনুই অব্দি প্রত্যেক খদ্দের যেন হাত স্যানিটাইজ করে নেয়। কাপড়ের দোকান, পার্লার, গয়নার দোকান ইত্যাদি দোকানে, যেখানে একজন খদ্দের দীর্ঘ সময়ের জন্যে নিজের পছন্দের জিনিস কিনতে আসছেন। তাদের জন্যে এই নিয়ম আবশ্যিক। তারা বিভিন্ন জায়গায় হাত দেবেন, বিভিন্ন জিনিস পরখ করে দেখবেন। তাই তাদের হাত পরিষ্কার থাকা আবশ্যিক। 
Shallow Focus Photography of Assorted-color Clothes Hanged on Clothes Rack
Pexels


৪) দোকানে প্রবেশের পর কোন কারণে খদ্দের যদি নিজের মাস্ক খুলে রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তাহলে তাকে একটি ২ পল্লার নতুন পাতলা মাস্ক দিন। এই মাস্কে সে অনেক স্বাভাবিক ও স্বাচ্ছন্দে নিজের শ্বাস প্রশ্বাস চালাতে পারেন। এইভাবে আপনি আপনার খদ্দেরকে সাহায্য করলেন সুস্থ থাকার জন্যে আর নিজেকেও আশ্বস্ত করতে পারলেন। 

৫) দোকানে যেন অবশ্যই খুব ভালো হাওয়া চলাচলের ব্যাবস্থা থাকে। স্থির জলে যেমন ডেঙ্গুর মশা জন্মাতে পারে, ঠিক সেই ভাবেই বদ্ধ ঘরের বাতাসের মধ্যে করোনা ভাইরাস ড্রপলেট এর মাধ্যমে প্রায় ২ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। খুব স্বাভাবিক শ্বাস প্রশ্বাসে বাতাসের মাধ্যমে প্রায় ৩ ফুট দূরত্ব অব্দি একজন মানুষের মুখ বা নাসা পথ থেকে নির্গত ড্রপলেট ভেসে যেতে পারে। দীর্ঘ শ্বাস, কাশি বা হাঁচি হলে সেই ড্রপলেট নিমেষে ৮ ফুট অব্দি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। আর ঠিক এই কারণেই মাস্কের ব্যাবহার আবশ্যিক। বদ্ধ ঘরের ক্ষেত্রে জানলা দরজা দিয়ে স্বাভাবিক বায়ু চলাচলের ব্যাবস্থা না থাকায় এই রোগ যুক্ত বাতাসের স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা দীর্ঘ। কাজেই, দোকান ফাঁকা হয়ে যাওয়ার পরেও আপনি সুরক্ষিত ভেবে যদি নিজের মাস্ক খুলে রাখেন, ২০% সম্ভাবনা রয়েছে আপনি ওই বাতাসে সংক্রামিত হবেন।

৬) নিজের জন্যে এবং দোকানের বাকী কর্মচারীদের জন্যে আলাদা মাস্ক এবং পোষাকের ব্যাবস্থা করুন। আপনি হয়ত বাড়ির কাছেই দোকানে আসছেন, রাস্তায় রোগ বহন করে আনার সম্ভবনা ১৬%। কিন্তু আপনার কর্মচারী যারা বিভিন্ন যানবাহনে অনেকটা পথ অতিক্রম করে আসছেন, তাদের জন্যে সংক্রমণ বয়ে আনার সম্ভবনা অনেক বেশী। আপনি নিজেও যেমন তাদের কাছে এই রোগের বাহক হয়ে উঠতে পারেন, আপনার কর্মচারীদের থেকেও আপনি সংক্রামিত হয়ে যেতে পারেন। প্রত্যেক বড় দোকানেই কিছুটা হলেও অতিরিক্ত জায়গা থাকে। সেই জায়গায় পোষাক পরিবর্তনের ব্যাবস্থা করে দিন। কারণ এই মানুষগুলো সারাদিন আপনার কাজে সহায়তা করবে। বাইরের থেকে আসা ওই পোষাক আপনার জন্যে এবং তাদের জন্যেও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। 

৭) নিয়ম করে প্রতি এক ঘণ্টা বা দুই ঘণ্টা অন্তর সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করে নেওয়া। একটি সমীক্ষায় বলছে সারাদিনে প্রতি ঘণ্টায় একজন মানুষ প্রায় ১৬ বার নিজের মুখে হাত দেন। সেটা চশমা ঠিক করার প্রয়োজনে হতে পারে, মুখের ঘাম মোছার জন্যে হতে পারে ইত্যাদি। একজন খদ্দের এর সাথে বিকিকিনি হয়ে গেলে সুযোগ থাকলে অবশ্যই সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। অগত্যা স্যানিটাইজার ব্যাবহার করুন। 

৮) কোন খদ্দের যদি অতিরিক্ত ব্যাগ নিয়ে আসেন, একটি নির্দিষ্ট জায়গা করে দিন দোকানের দরজার কাছে যেখানে তারা ব্যাগ রেখে আসতে পারবেন। কর্মচারীদের জন্যেও আলাদা একটা ব্যাগ রাখার জায়গা করে দিলে ভালো। 

৯) প্রতি ৩-৪ ঘণ্টা অন্তর অন্তত একবার হলেও ফিনাইল জলে ঘরের মেঝে পরিষ্কার করেনিন। কোন একজন কর্মচারী নিশ্চয়ই দ্বিধা বোধ করবেন না এই কাজ করে দিতে, যখন তার সুস্থ থাকাও এখানে নির্ভরশীল।

১০) সর্বশেষ নিয়ম, যেটা অনেক ক্ষেত্রেই হয়ত সম্ভব নয়, সেটা হল এক সাথে দোকানের ভিতর ভিড় না করা। এতে বিপদ বেশী। 


মাস্কের ব্যাবহার।

খুব দুর্ভাগ্যজনক ভাবে মাস্ক সম্পর্কে একটা বিতর্কিত ছিন্তা ভাবনার কারণে আজকে সঠিক মাস্ক নিয়ে এত বিভ্রান্তি। কোন সময় ডাক্তাররা পরামর্শ দিয়েছেন সুস্থ মানুষের মাস্কের কোন প্রয়োজন নেই। এখন আবার পরামর্শ আসছে হয়ত এখন ঘরের মধ্যেও মাস্ক পরে থাকতে হবে। সঠিক মাস্ক যে কোনগুলো, এবং কিভাবে যে তার ব্যাবহারে উপকার পাবো সেই হদিশ এখন বিভ্রান্তি ছাড়া আর কিছুই নয়। 

সাধারণ মানুষের জন্যে N-95 মাস্ক আবশ্যিক নয়। কোন মানুষ যদি করোনা সংক্রামিত রুগী বা করোনা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্যে যাচ্ছেন, সেক্ষেত্রে N-95 মাস্ক এর আবশ্যিকতা কিছুটা হলেও আছে।যদি N-95 মাস্ক ব্যাবহার করছেন, কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম আছে সেগুলো মেনে চলতে হবে। নাহলে একটি পাতলা সুতির রুমাল ও N-95 মাস্ক এর মধ্যে কোন তফাৎ নেই। 

ওষুধের দোকান, কাপড়ের দোকান, পার্লার, গয়নার দোকান, এইসব জায়গায় খুব কাছ থেকে একজন গ্রাহকের সাথে কথা বলার প্রয়োজন থাকে। বহুদুর থেকে দাঁড়িয়ে শাড়ি দেখালে কেউ কিনবে না। আবার অনেক দূর থেকে দাঁড়িয়ে একজনের চুল কাটাও যাবে না। এইরকম কাজের জন্যে N-95মাস্কের ব্যাবহার উপযুক্ত। কিন্তু আবশ্যিক একদম নয়। তাই বলে সামান্য সুতির কাপড়ের মাস্ক বা রুমাল বেঁধে নিলেও চলবে না। ব্যাবহার করতে হবে প্রকৃত সারজিকাল মাস্ক। ৩ প্ললার সারজিকাল মাস্ক আপনাকে ৮০% সুরক্ষা দেবে একজন সম্ভাব্য করোনা বাহকের থেকে। যে সব দোকানে একটা নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখেও গ্রাহক বিক্রেতা সম্পর্ক রাখা সম্ভ্‌ সেখানে অন্যান্য মাস্ক এর ব্যাবহার করা যেতে পারে। যদিও একটা সামান্য কাপড়ের মাস্ক এই মহামারীর সময় আপনাকে ৬০% সুরক্ষাও দেবে না যদি সত্যি একজন উপসর্গ হীন করোনা বাহক বা সংক্রামিত রুগী আপনার ৬ ফুট দূরত্বের মধ্যে চলে আসে। 
Woman Selecting Beaded Jewelry
Pexels

সঠিক N-95 মাস্ক কোন গুলো? 

N-95 মাস্ক এমন বিশেষ পদার্থ দিয়ে তৈরি যা বাতাসের ৯৫% বায়ুবাহিত রোগ কে প্রতিরোধ করতে পারে। 
এই মাস্ক নির্দিষ্ট মডেল নম্বর দিয়ে বানানো হয়। এদের দেশী বা বিদেশী বিভিন্ন সংগঠন স্বীকৃতি দেয়। আর আছে কোম্পানির পরিচিতি। এখন অবশ্য একই নাম দিয়ে অনেক জালি কোম্পানি তাদের নিকৃষ্ট মানের মাস্ক বাজারে নিয়ে এসেছে। কিন্তু একটু সতর্ক দৃষ্টি রাখলে এড়িয়ে যাওয়া যায় এদের থেকে। 

N-95মাস্ক এর প্রথম শর্ত কি? একটি এন ৯৫ মাস্ক এর ব্যাবহারকারি সেটা সঠিকভাবে পরার পরে, যদি মাস্কের ভিতরে জোরে ফু দেন। মাস্কের আশেপাশে কোন হাওয়া বেরোবে না। এইটি প্রথম এবং আবশ্যিক শর্ত একটি N-95 মাস্ক এর। এর থেকে নিশ্চিন্ত হওয়া যায় যে আপনি বাইরের হাওয়া বাতাস থেকে আপনার শ্বাস প্রশ্বাস এর পথ কে ৯৫% সুরক্ষিত করতে পেরেছেন। 

এই মাস্কের দীর্ঘ ব্যাবহারে কিছু খারাপ দিক ও রয়েছে। কিন্তু সুরক্ষার নিরখে এই মাস্ক এর কোন তুলনা হয়না।

এখন বাজারে অনেক মাস্ক N-95 বলে খুব চল পেয়েছে। এদের বিশেষত্ব হল মাস্কের গায়ে একটি হাওয়া চলাচল করবার ভাল্ভ। কোন ভাবেই একে একটি ভাইরাস রোগের উপযুক্ত মাস্ক বলা চলে না। এটি সম্পূর্ণরূপে একটি Antipollution মাস্ক। শীতকালে দিল্লীর যে দুর্বিষহ অবস্থা হয়েছিল ধোঁয়াশার কারণে। এই মাস্ক ওই পরিবেশের জন্যে উপযুক্ত। দিল্লীর ঘটনার পর থেকে এই মাস্কের চল এত বেড়ে গিয়েছিল যে এর স্টক এখন ভারতবর্ষে অফুরান। বিভিন্ন নাম না জানা কোম্পানিও এখন এই  মাস্ক ঘরোয়া প্রজুক্তিতে শুরু করে দিয়েছে। কিন্ত এই মাস্ক এর পিছনে অনেক টাকা ব্যায় করে যদি সঠিক মাস্ক না পান, তাহলে সুতির রুমালের সাথে এর কোন তফাৎ নেই। 


ভাল্ভ শুদ্ধু মাস্ক পেলে অবশ্যই ভাল্ভ এর গঠন পরীক্ষা করে নিন। সামান্য আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিয়ে একটা N-95 মাস্ক এর তকমা পাওয়া মাস্ক এখন বাজারে বহুল ভাবে ছড়িয়ে আছে। খেয়াল করবেন এই ভাল্ভ এর উপযুক্ত গুরুত্ব আছে কি না।ভাল্ভের মধ্যে দিয়ে এপার অপার পরিষ্কার আলো দেখতে পেলে, অবশ্যই সেই মাস্ক বিক্রেতাকে এড়িয়ে চলুন। ভাল্ভ এর সাথে মাস্ক এর আস্তরণের মধ্যে কোন ফাঁক থাকবে না। এইরকম মাস্ক চাঁদ সদাগরের বানানো লোহার ঘরের মতই অর্থহীন হয়ে থেকে যাবে। 

 
 এত খরচ করে বাজে N-95 মাস্ক কেনার বদলে ভালো সারজিকাল মাস্ক কিনুন। ৩ পল্লার সারজিকাল মাস্ক এর প্রায় ১০-২০ টি মাস্কের দামের সমান একটি N-95 মাস্ক। 
Set of medical protective face masks
Pexels

N-95 মাস্ক একাধিক বার ব্যাবহার করা উচিৎ না হলেও, সাধারণ মানুষ যেহেতু সরাসরি কোন করোনা রুগীর সামনে আসছেন না। সেক্ষেত্রে একটি এন ৯৫ মাস্ক কে পরিষ্কার করে নিয়ে দ্বিতীয় বা বহুবার ব্যাবহারের সুযোগ রয়েছে।

কখন বুঝবেন আপনার এন ৯৫ মাস্ক কে বাতিল করার সময় এসেছে?


N-95মাস্কের একদম প্রথম শর্ত যদি অকার্যকরী হয়, তাহলে N-95 মাস্ক বাতিল করার সময় এসেছে। অর্থাৎ ভালো ভাবে চেপে মাস্ক পরার পরেও যদি মাস্কের ভিতর ফু দিলে হাওয়া বেড়িয়ে যায়। সেক্ষেত্রে মাস্কটি বাতিল করার সময় হয়েছে। 

দ্বিতীয় শর্ত, মাস্কের ভিতরে স্বাভাবিক শ্বাস প্রশ্বাসে অসুবিধা। মাস্কটি একাধিক বার ব্যাবহারের পরে যে সময়ে এসে মনে হবে যে মাস্ক এর মধ্যে দিয়ে স্বাভাবিক ছন্দে শ্বাস নিতে পারছেন না। বেশ কষ্ট করে তবে শ্বাস নিতে হচ্ছে। পুরনো মাস্কটি তখনই বর্জন করে নতুন মাস্ক ব্যাবহার করুন। 


জুতো পরে প্রবেশ নিষেধ? 


এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে এই নিয়মের কোন বিকল্প নেই। বড় বড় শপিং মল বা গ্রসারি দোকানে একজন পরিষ্কার করার কর্মচারী নিয়োগ করা থাকে ছোট দোকানের ক্ষেত্রে এই নতুন করে একজন লোক রাখা একটু অসুবিধার। সেক্ষেত্রে জুতো খুলে আসাটা শ্রেয়। নিতান্তই যদি জুতো খুলে আসার সম্ভাবনা বা ব্যাবস্থা না হয় তাহলে জুতোর কভার দিতে পারেন। বিশেষ করে পার্লার বা সেলুনে। একটি জুতোর কভারের দাম এক জোড়া ৬ টাকা। গ্রাহক কে বললে তিনি নিজেও হয়ত এই ব্যাবস্থায় সায় দিয়ে নির্ধারিত মুল্য দিয়ে দেবেন। কিন্তু যে দোকানে জুতোর কভার দেওয়া সম্ভব নয়। যেমন বড় ওষুধের দোকান। সেক্ষেত্রে একজন পরিচারক কে নিয়োগ করতে হবে যে প্রতি ঘণ্টা বা দু ঘণ্টায় ঘর পরিষ্কার করে দেবেন। 

গ্রাহকের স্যানিটাইজেশন?


অন্তত ৭০% অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে প্রতি গ্রাহক যেন নিজের কুনুই অব্দি পরিষ্কার করে নেন। বড়  বড় মিষ্টির দোকানে বেসিনের ব্যাবস্থা থাকে। সেক্ষেত্রে গ্রাহক সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। কিন্তু অন্যান্য জায়গায় যেখানে গ্রাহক একটু দীর্ঘ সময়ের জন্যে স্থিত হবে এবং বিভিন্ন জায়গায় ও জিনিসে হাত দেবে সেখানে হ্যান্ড স্যানিটাইজ করা আবশ্যিক। 

স্যানিটাইজেশন টানেল বা কিউব উপস্থিতি এখন প্রায় অনেক জায়গায় দেখা যায়। এই টানেল বা টিউবের মাধ্যমে একজন আগন্তুকের পোষাক কে স্যানিটাইজ করা সম্ভব। দেখা গেছে এই প্রক্রিয়াতে প্রায় ৮% সাফল্য আসে সংক্রমণ রোধ করার জন্যে। 

একটি বিদেশী পত্রিকা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী একজন মানুষ যদি কোন করোনা আক্রান্ত রুগীর সাথে মাত্র ৩ মিনিটের সংসর্গে থেকেছেন। তাহলে সুতির পোষাকে প্রায় ১২.৭%  বিভিন্ন জীবাণুর উপস্থিতি দেখা গেছে। 

সুতরাং বুঝতেই পারছেন আপনার দোকানে আসা গ্রাহকের পোষাক এই ভাইরাসের একটি আধার হিসেবে কাজ করতে পারে। যদিও পোষাক থেকে অন্য ব্যাক্তির সংক্রামিত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বা ঘটনার তথ্য এখনও অব্দি পাওয়া যায়নি। কিন্তু এই স্যানিটাইজেশন টানেলের মাধ্যমে আপনি একজন গ্রাহকের পোষাক মাধ্যমে বাহিত রোগ কে আটকাতে পারবেন। যদিও হু এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এই কাজের কোন ভিত্তি নেই। কারণ রাস্তায় বা পরিবেশে থাকা ধুলোবালি অর্ধেক স্যানিটাইজার নষ্ট করে দেয়। তাই হিসেব বলছে এই প্রক্রিয়ায় সাফল্য ৮% এর বেশী নয়। 

সব জায়গায় স্যানিটাইজেশন টানেলের ব্যাবহার সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে একটি পাতি স্যানিটাইজেশন স্প্রে আপনার অনেক সুবিধা করে দেবে। গ্রাহক কে কিছু সময় দাঁড়াতে বলে তার পোষাকে এই স্প্রে দিলে আপনার সুরক্ষিত থাকার সম্ভাবনা ৬-৮%। একটু খেয়াল রাখতে হবে এই স্প্রে যেন গ্রাহকের চোখে না যায়। এবং এই স্প্রে করার সময় উভয় যেন অবশ্যই মাস্ক পরে থাকেন। দ্বিতীয় যে বিষয়ে একটু সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে সেটি হল এই স্প্রে এর মধ্যে থাকা উপাদান সম্পর্কে। হাইপোক্লরাইট জাতীয় উপাদান একটু বেশী মাত্রায় থাকলে সেই স্প্রে গ্রাহকের পোষাকের রঙ বা কাপড়ের ক্ষতি করতে পারে। 


দোকানের ভিতরের হাওয়া সম্পর্কে কিছু তথ্য। 


দোকানের মধ্যে যদি হাওয়া চলাচলের উপযুক্ত ব্যাবস্থা না থাকে, সেক্ষেত্রে একটি বায়ু পরিশোধন যন্ত্র থাকা আবশ্যিক। বিশেষ করে সেলুন বা স্পা, বা রেস্তোরাঁ এর জন্যে। এইসব জায়গায় গ্রাহক মাস্ক খুলবেই এবং এখানে একই সময় একাধিক লোক উপস্থিত থাকবে। কাজেই তাদের শ্বাস প্রশ্বাসের থেকে যাতে বিক্রেতা নিজে, দোকানের কর্মচারী, এবং অতি অবশ্যই অন্যান্য গ্রাহক সুরক্ষিত থাকেন সেই জন্যে একটি বায়ু পরিশোধন যন্ত্রের প্রয়োজন রয়েছে। 

এই যন্ত্রের বিশেষ ক্ষমতা হল এরা বাতাসের সুক্ষাতিসুক্ষ কণা কে নিজের ফিল্টারের মধ্যে আবধ্য করে নিতে পারে। এই বিশেষ ফিল্টার ব্যাবস্থা কে হেপা ফিল্টার বলা হয়। 

কিছু বিষয় বিবেচনা করে এই ফিল্টারের জন্যে অর্থ ব্যায় করা উচিৎ যেমন ফিল্টারটি আদৌ হেপা ফিল্টার কি না। অনেক সংস্থা তাদের বায়ু শোধন যন্ত্রের কাটতির জন্যে হেপা লাইক, বা হেপা টাইপ তকমা মেরে বিক্রি করেন। বাজারে এই রকম কোন সত্যিকারের হেপা ফিল্টার আদৌ নেই। সত্যি কারের হেপা ফিল্টারকে H-10, H-12, H-13, H-14 ইত্যাদি নম্বরে লেখা হয়। সব থেকে আধুনিক এবং উপযুক্ত হেপা ফিল্টার হল H-14। একে মেডিক্যাল গ্রেড হেপা ফিল্টার ও বলা হয়। ঘরের বাতাসের জন্যে H-10, H-12 উপযুক্ত হলেও যেখানে এক সাথে অনেক মানুষের সমাগম সম্ভাবনা থাকে সেখানে H-12, H-13, বা H-14 ফিল্টার ব্যাবহার করা উচিৎ। 

আরও আধুনিক প্রজুক্তির সহায়তায় বায়ু শোধন যন্ত্র এখন অনেক বেশী সক্ষম ও পারদর্শী। যেমন প্লাজমা ক্লাস্টার সিস্টেম। বৈদ্যুতিক ব্যাবস্থার প্রয়োগে বাতাসের মধ্যে থাকা সুক্ষ কণা কে এই ফিল্টার সম্পূর্ণ শোধন করতে পারে। কার্বন ফিল্টার বাতাসে উপস্থিত বিভিন্ন গ্যাস শোধন করতে পারে। আর থাকে একটি প্রাইমারি ফিল্টার যা বাতাসের বড় বড় কণা কে আটকে বাতাসকে ধূলিকণা মুক্ত করতে সাহায্য করে। 

কি কি দেখে কিনতে হবে?


প্রথম হেপা ফিল্টার এর সত্যতা। হেপা টাইপ বা হেপা লাইক ফিল্টার দেখলে আগেই দূরত্ব বজায় রাখুন।  (Hepa type or Hepa like)

CADR: Clean Air Delivery Rate,  অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় একটি বায়ু শোধন যন্ত্র কত পরিমাণ বাতাস শোধন করতে পারে। একটি দোকানের জন্যে এই মান অবশ্যই ২০০ ঘন মিটার/ ঘণ্টা হতে হবে। 
Coverage area: প্রতিটি বায়ু শোধন যন্ত্রের নির্মাতা তাদের যন্ত্রের বিবরণে এই ব্যাখ্যা দিয়ে রাখে। এর হিসেব থিন এয়ার কন্ডিশন যন্ত্র কেনার মতন। অর্থাৎ ২৫০ বর্গ ফুট ঘরের জন্যে দের টন এসি কিনতে হবে, ইত্যাদি। একটি বায়ু শোধন যন্ত্রের ও নির্দিষ্ট ক্ষেত্রফল অব্দি কার্যকারিতা থাকে। যেমন একটি যন্ত্রের ক্ষমতা ২০০ বর্গ ফুট, এদিকে তাকে ব্যাবহার করা হচ্ছে একটি ৩৫০ বর্গ ফুট ঘরে, সেক্ষেত্রে যন্ত্রের সাফল্যের হার কমে যায়।
Sound: এই যন্ত্রের থেকে বিকট শব্দ তৈরি হতে পারে। খুব বড় স্ট্যান্ড ফ্যান চালালে যেমন শব্দ হয়, এই যন্ত্রের ও ঠিক তাই নিয়ম। বদ্ধ ঘরের মধ্যে এইরকম একটি যন্ত্র দীর্ঘ সময় অব্দি চললে বিরক্তি আসে। সেক্ষেত্রে খেয়াল করতে হবে যন্ত্রের থেকে তৈরি শব্দের মাত্রা যেন কোন ভাবেই ৫০ দেসিবেল এর উপরে না  হয়। 

এগুলি ছারাও যে বিষয় নজর রাখতে হবে যেমন কোম্পানির পরিচিতি, কত বছরের Warranty, আনুসাঙ্গিক যন্ত্রের কেমন খরচ। ঠিকঠাক সারভিসিং পাওয়া যাবে কি না, এর মধ্যে কোন যন্ত্র পরিবর্তন করার প্রয়োজন হলে কেমন দাম হবে ইত্যাদি। 

একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে বললে হয়ত ব্যাপারটা সরল হবে।






এই এয়ার পিউরিফায়ারে  H-14 filter রয়েছে। কিন্তু  coverage area মাত্র  200sq. ft.




 
আর এই এয়ার পিউরিফায়ারে  HEPA type or HEPA like filter ব্যাবহার হয়েছে, কিন্তু  coverage area প্রায়  333 sw. ft.




সব থেকে উপযুক্ত বায়ু শোধন যন্ত্রগুলির মধ্যে কিছু উদাহরণ নিচে দেওয়া রইল। 



সাবধানে থাকুন, সুস্থ থাকুন।

অর্ক ভট্টাচার্য 

Some books might interest you,


Tuesday, June 9, 2020

Air conditioners to Air Purifiers??

Air-conditioner to Air-Purifier

Car interior / Air conditioner
Pexels


Worried about your clinic? Confused about which Air-purifier is the best choice for your clinic?

Follow this blog for the amazing filters that you can easily attach with your existing air-conditioners to breathe some fresh air inside your clinic and have a window of opportunity to judge the marketed air-purifiers and then invest in it.

Monk Meditating
Pexels

Air-conditioner filters are not a replacement for Air-purifiers but you can have 80% fresh air than the polluted air inside your clinic. 


These filters are regular filters with added benefits and specifications to be used with your AC and turn it into an Air-purifier. 



It can achieve 90% purification of your room within an hour.

It can filter particles, allergens and dusts, pollen easily up to PM 2.5 

It is easy to handle and you can change the filters by yourself (DIY) without taking any help from the professionals. 

Pocket friendly and trust worthy. 

It is the product from the top 10 innovators of Delhi IIT.

It has received the National Award for the best start ups in 2017. 

It has received mixed appreciation and criticism from the users.

It causes no harm to the pre filters of your AC

Easy adhesive strap design to attach with the filters of AC easily.

Can be used for both Window and split AC.

Easily available and less costly. 

You can have fresh air supply simultaneously with the cooling of your AC.
Man Wearing Black Cap With Eyes Closed Under Cloudy Sky
Pexels



Disadvantages? 

To make it more universal product the size of the filters are not so adequate to cover the pre-filters of the available air conditioners.

As the coverage is not adequate the success rate for air purification is limited. 

Needed to be replaced every month according to use. For a clinic it may vary according to the situation.  





It is one of the best products from the 3M house to turn your existing AC into an Air-purifier.

Easy to use and pocket friendly.

Covers 80% of the AC screens and bonds easily.

No additional support is required from the professionals to replace these filters.

It uses a 3 in 1 technology to filter the unwanted particles from the room air and provide a fresh and cool air from the AC.

It can filter 83% of PM 2.5 particles from the air. 

It can easily filter smog, pollen, allergens and dust particles from the air.

Needed to be replaced every 3 months according to use. For dental clinics it is better to replace these filters every month.

Color coded layers to indicate the damage of the filter.

93% of room air can be purified within 2 hours of use.

Disadvantages
Only 83% purification of air.
Only can be used in Split ACs.


Why to use these filters??

Unless you are diving into your regular practice, this alternative way can buy you some time to add the funds for the best purifier.

Complicated specifications and different models may cause a confusion that may end up in a bad investment. 

It is a safe alternative to clean your room air simultaneously having cool ambiance if you are not performing Aerosol Generating procedures on a daily basis.  

This is not adequate to resist corona virus. But it can easily resist the large droplets and aerosol particles that can cause allergic reactions. 


Moral of the blog???

"Be ready for when your time comes, you will have that window of opportunity, so seize the moment and capitalize on it." Anthony Anderson

  
Presented by, Dr. Arka Bhattacharya

Sunday, May 17, 2020

HEPA filters for Dental clinics

HEPA filters and their types:

 Picture Frame Shelf Close Up Stock Pictures, Royalty-free Photos ...

It is the time that we need to upgrade our dental clinics with the most sophisticated and most needed instruments that our patients can feel safer than anywhere else.  The overwhelming reports are suggesting that dentists are more prone to catch a COVID-19 infection from their day to day practice. It is possible to maintain your hand hygiene properly. It is probable to guide your patients accordingly that you can reduce the chances of getting contaminated from an asymptomatic carrier. But it is always a doubt to breathe free within your chamber once you are done with your work. 


Potential risk of SARS-CoV2:


As the researchers are publishing their articles regarding the spread of Corona virus, it suggests that mostly these viruses are capable of infecting other hosts as an airborne droplet or aerosol. Recent studies show that the stability of this virus is variable depending upon different materials and conditions. To judge the stability of SARS-CoV2 on different areas there is a study published in The New England Journal of Medicine. In that study they have compared SARS-CoV2 with SARS-CoV1 by evaluating their stability in air and four different surfaces. This study also shows the estimated decay time for these 2 different viruses.

According to this study the data shows the estimated half-life of the virus SARS-CoV2 (in TCID50)

Material/Half-life (Hrs)

Median

2.5%

97.5%

Air

1.09hrs

0.64hrs

2.64hrs

Plastic

6.81hrs

5.62hrs

8.17hrs

Steel

5.63hrs

4.59hrs

6.86hrs

Cardboard

3.46hrs

2.34hrs

5hrs

Copper

0.774hrs

0.427hrs

1.19hrs

 

This data profile (described partly) clearly shows the airborne nature of this virus and the contamination procedure similar to that of SARS-CoV1. This indicated that the cross contamination may occur from other factors and also from the viral loads in the Upper Respiratory Tract of a potential COVID-19 infected person while being asymptomatic.

 Our ventures are always confined within the bilateral buccal walls. The patient will be without masks for a longer period in the clinic for their treatments. This potential time frame will cost a lot of aerosol inside the clinic. Additionally if we perform any AGP then the virus will be abandoned in the air and other surfaces. Using different surface cleaning agents, and maintaining a good hand hygiene can reduce the risk of getting infected. But the air is the reason to cause the damage if not cleaned.

Windows and doors with a good cross-ventilation are good for keeping pollutants away from the room. But inside a clinical setup the air can confine a lot of bad stuff that may damage your health. According to Environment Protection Agency, a study suggests that some pollutants are often 2-5 times higher indoors than outdoors.

Air filters are an essential equipment now?

Completely depends upon your need and resources. The best way to improve indoor air is to remove the pollutant source and to ventilate with clean outdoor air. Air-purifiers can help when these methods are insufficient or not possible.

Types of Air purifiers??

There are many technologies incorporated in an Air purifier to clean indoor air. Some of them are pretty handy and good to use and some of them are little complicated with a higher price range but not somewhat effective as it claims.

Mechanical Filters: here comes the HEPA filter. It uses a fan to push the air through a dense mesh of fibers which can trap the particles. Filters with the finest mesh are HEPA filters, provided it must collect 99.97% of pollutants up to 0.3microns.  

Activated Carbon Filters: While processing the air rather than catching the particles from the air, some air purifiers’ offer sorbent filters. Activated carbon filters can absorb some gases and make the air odor free.

Ozone generators: This purifiers or air sanitizers can produce ozone which will react with certain pollutants and change their molecular structure to make them inactive. Ozone purifiers are not recommended inside the clinic for some adverse effects of it.

Electronic Air purifiers: Electrostatic precipitators and ionizers charge particles in the air and thus the pollutants or harmful substances get stuck on the plates of the machine by magnetic attraction. This is also under consideration for recommendation as these machines often produce Ozone as a byproduct.

Ultra-Violet Germicidal Irradiation (UVGI): Some production houses claim that their air purifiers can kill virus, bacteria or fungus with the help of UV lamps. But it is not always as effective as it claims. Some of the bacteria and viruses are resistant to UV radiation

Photocatalytic oxidation: PCO or PECO filters use UV radiation along with a photocatalyst that can produce hydroxyl radicles to clean the air. Free hydroxyl radicals are harmful for the pollutants but also become harmful for us as they produce a good number of harmful by products.

Now comes the safest and the cheapest way to purify your indoor air is by HEPA filters.

 What is a HEPA Filter?

HEPA stands for High Efficiency Particulate Air filters.

During 1940’s US Department of Energy developed a defined standard for the HEPA filters to contain the spread of particles generated by the nuclear testing.

The HEPA standard as defined is the filter must remove 99.97% or more particles in the air which are 0.3microns in diameter. 


As it defines if 10,000 molecules of 0.3micron diameters pass through the HEPA filters only three of them must pass through.

 

Check for this, HEPA type or HEPA like filters.

Many of the manufacturers produce air purifiers that do not follow the standard of HEPA filters. To be in the competition they just print on the labels “HEPA-like” or “HEPA-type” air purifiers. This is nothing but just to confuse the consumers and provoke them to purchase low graded cheaper air purifiers.

Be safe from these labels and manufacturers. There are no other types of HEPA. Either it is HEPA or NotHEPA.

Medical Grade HEPA:

There are no different types of HEPA filters. But HEPA filters are categorized on the basis of their efficiency. A standard better quality True HEPA filter ranges from H10-H12.

HEPA H13-H14 are considered as the highest tier of HEPA filters and thus categorized as MEDICALGRADE HEPA FILTERS.

H10-H12 HEPA filters can trap 85% of particles ranging in 0.1microns. But, H13-H14 filters trap 99.995% of 0.1micron particles.

While purchasing your air purifiers do consider these facts before ordering. A H10-H12 HEPA filter purifiers is efficient for home but not at your dental office.

 

Other considerations while purchasing an air purifier for your Dental office…

 

The primary point to be considered is the cost of replacement filters. It’s a general rule to change the filters after every 6-8months. In case of Activated Carbon filters you need to change the filters every 3-4months. Some of the air-purifiers are incorporated with an indicator that will let you know the efficiency of the core filter.

You must look at the certifications of the product. You must check the Energy Star logo of the product as it must run around the clock to give you better results. Also look for the official certification for consumer electronics.

CADR: CADR or Clean Air Delivery Rates is the volume of air that a purifier produces on its highest speed settings. Any purifier with a CADR of less than 250 is not at all worthy enough for a dental office.

Check for the suggested room size listed on the label. Some of the Air purifiers don’t show such efficiency as they mention in their labels. But always consider the purifiers that are suitable for larger rooms (>350sq ft)

Check for the noise decibel of the air purifier. Some of the purifiers are too noisy at their highest performance which can be a bit annoying inside the clinic. Check for the noise produced mentioned on the labels

Features you must look for

1)       Washable pre-filters. It’s the reusable filter that contains larger particles before the main filter. This potentially increases the life of the main filter and saves a lot of money.

2)       Filter service indicator. This indicated the life efficiency of the main filter.

3)       There must be an air quality sensor which can evaluate the pollutants in the present air and can automatically adjust its cleaning speed accordingly.

4)       Remote control features. Recent models are also coming with smart app controls that you can adjust the purifier using your mobiles. Few of them have the feature of voice control via Google assistant or Alexa. This is a very useful feature for us to adjust the purifier settings on voice command while working on a patient.

Some of the Air-Purifiers meet the standards as it mentions in their description are as follows.

 

According recent reviews with the most advanced features one of the most popular air purifiers available in India are  

1)       Sharp Air-purifiers: Model No. FP-F40E-W.
>It claims to clean the indoor air up to 99.97%.

        >It is manufactured by a Japanese company. The servicing availability is yet not judged but the company has confirmed the supply of spare parts and consumables till the product is discontinued in India.

        >It gives a Dual Protection filter system to clean the air at its best. The air goes through a pre filter and then crosses the granular active carbon filters to the main HEPA filter. This model uses the highest available HEPA filter H14.

         >The exhaust is unique in design and covers the room with a 20 degree air flow.

         >MRP of the product is 15,900/- but in amazon you can get better deals.

         >The inefficiency of this product is in CADR. The value of CADR ranges from 200-250 CMH. This is pretty low for a larger dental office >200 sq ft. The company though claims that due to the high efficiency of this product it can serve up to 320 sq feet area.

> It also uses a plasmacluster ion generator as an additional feature to clean the air. They have certification from different labs that mention free from any byproducts due to the ion generators.
>There is no remote facility.
>The fan speed can be adjusted up to 5 levels.
>It has a special feature called Haze mode for better performance in Indian Climate. 
>It also has a sensor for dust particles.
>It produces 49 decibel of noise at its highest speed.
>Company provides 1 year warranty including spare parts and labor. 

 

3)       Mi Air Purifier 3: AC-M6-SC
MRP is 12,999/- varies on amazon and flipkart.
>It is a 3rd Generation air purifier with smart app features.
>It uses true HEPA filters for cleaning the air up to 99.7%. It uses 380 degree air intake and 3 layers filtration.
>It has OLED touch display which shows real time air quality, Humidity and temperature.
>The coverage area is 484sq ft.
>CADR of this machine is 380CMH
>Controls are by touch screen or mobile app.
>It can be controlled by Google assistant and Amazon Alexa.
>Noise level is pretty high for this machine and may range up to 64 decibel which is quite annoying in a dental office.
>Company provides 1 year warranty excluding filters.
>Servicing from Mi Company is not such efficient as it should be.

 

4)      Phillips AC2887/20
>MRP is 22,995/-. Discount depends upon amazon and flipkart.
>It uses HEPA-type filters, with activated carbons.
>CADR value ranges from 200-333 cmh.
>Noise produced is around 51decibel.
>It uses AreSense Technology with real time display.
>Buying an additional FY2420 Nano Protect Activated carbon filter will cost 1550/- extra.
>Reviews are good but not recommended for dental offices.

 

5)      Phillips AC3256/20
>MRP is 32,995/-. Discounts available on amazon and flipkart.
>It uses 3 layers air filtration system with H13 HEPA filter and Activated carbon filter.
>It incorporates VitaShield IPS with aerodynamics design that uses an extra thick nanoprotect HEPA filter to clean the air up to 0.02micron particles.
>It has proven its efficiency in eliminating H1N1 virus.
>AreSense Technology indicator monitor.
>5 levels of fan speed adjustment.
>Controls are touch sensors.
>CADR value is 367cmh
>It can clean the air of 1024sq ft area.
>Noise produced is 63 decibel.

Sharp FP-J60

>MRP- 39,999. Check for discounts in amazon
>Dual action filter system. It uses H14 HEPA filter with Plasmacluster technology.



The Best Choice for a Dental clinic among the others economically and functionally.
>MRP 35,000/-, check for discount price in amazon.
>CADR is 480cmh
>Area coverage 650 sq ft
>Highly effective plasmacluster ion generator filters with H14 True HEPA filters and activated carbon filters.


Samsung AX7000
>MRP- 59,990/- check discount price at flipkart
>It uses 4 layers of filtration as pre-filter, deodorization filter, activated carbon, ionizer and HEPA filter./
>Coverage area is 1000 sq ft
>CADR: 773cmh
>Noise 54 decibel
>Sleek and professional design touch screen.

Benefits of Medical Grade Air purifiers


1) Eliminates the smallest airborne particles to give a safe and fresh air inside the clinic
2) Helps people with weak respiratory systems
3) They are mandatory now in the isolation rooms.
4) Helps in surgery rooms.

To get the best effects of an air purifier

1) Choose it wisely to get the best results.
2) Clean the filters accordingly as the company guidance mentions. 
3) Select a place to keep it wisely.
4) Keep the air purifier running the whole working time inside the clinic.






My other blogs are here

Saturday, May 16, 2020

HEPA Filters and Their Journey

দূষণ মুক্ত বাতাসের খোঁজে।

HEPA Air filter

করোনা আসার পরে আমরা প্রথম এত গভীর ভাবে অনুভব করলাম মুক্ত বাতাসে প্রশ্বাস নেওয়ার স্বাধীনতা কত প্রিয়। কিন্তু নিজেদের অজান্তে প্রকৃতির ক্ষতি সাধন করতে করতে এখন আমরা এমন এক পর্যায়ে এসে পৌঁছেছি যেখানে মুক্ত বাতাসের মধ্যে থেকেও সামান্য এক জীবাণুর ভয় মুখে সর্বক্ষণ মাস্ক পরে থাকতে হচ্ছে। হাসপাতালে ক্লিনিকে নতুন নতুন আবিষ্কৃত এয়ার ফিল্টার বসানো হচ্ছে। এই জীবাণুর হ্যাপায় মুক্ত বাতাসের জন্য এখন HEPA Filter সাহায্য নিতে হচ্ছে।

 

HEPA ফিল্টার আবার কি?

HEPA or High EfficiencyParticulate Air filter এর বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় এমন একটি বিশেষ যন্ত্র যা একটি ঘরের আবহাওয়ার মধ্যে থেকে সুক্ষাতি সুক্ষ্ম কণা, যা আমাদের স্বাভাবিক শ্বাস প্রশ্বাস এর জন্য ক্ষতিকারক, তাদের কে আটকে দিয়ে ঘরের হাওয়া কে অনেকটা শোধিত করে।

যদিও নামের বাহার ও কাজের গুণ দেখে এই যন্ত্র কে অনেক আধুনিক একটি আবিষ্কার বলে মনে হয়। কিন্তু আসলে এর জন্ম লগ্ন সেই ১৮০০ শতাব্দীতে। শিল্প বিপ্লবের সূচনা লগ্নে দূষণ মুক্ত বাতাসের জন্য বিভিন্ন যন্ত্র আবিষ্কারের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হয়। তারপর প্রায় ১৫০ বছর পেরিয়ে এই যন্ত্র আধুনিক রূপের কাঠামো পায়। এখনও বাতাস কে দূষণ মুক্ত করার জন্যে নিত্য নতুন আবিষ্কার ও খোঁজ চলছে।

 

HEPA Filter এর ইতিহাস...

আধুনিক শিল্প বিপ্লব মানুষের জীবনে সামাজিক ও বানিজ্যিক অবস্থান, অর্থনীতি, ও সাধারণ জীবন যাত্রার ওপর যেমন এক আশ্চর্য পরিবর্তন সাধন করেছিল। ঠিক সেই ভাবেই এই শিল্প বিপ্লবের হাত ধরে যে বিপদ আড়াল থেকে এসে মানুষ কে ব্যাতিবস্ত করলো তা হল দূষিত বাতাস। সেই সময়, যে কোন শিল্প ক্ষেত্রে, কয়লা ছিল জ্বালানীর একমাত্র ও প্রধান উপায় । এই কয়লা কে জ্বালানী হিসেবে ব্যাবহার করার ফলেই বাতাসে না না রকম ক্ষতিকারক উপাদান মিশতে শুরু করে। কর্ম ক্ষেত্রে মুখে রুমাল বেঁধে কাজ করা সম্ভব হলেও আশে পাশে অঞ্চলে বা গেরস্থালীতে সর্বক্ষণ মুখে মাস্ক বা রুমাল বেঁধে থাকা যায়না। এক এক জন বিজ্ঞানীর হাত ধরে শুরু হল বাতাস কে দূষণ মুক্ত করার পদ্ধতি আবিষ্কারের প্রচেষ্টা।

 

প্রথম সাফল্য।

এদের মধ্যে সব থেকে প্রথম যে দুজন বিজ্ঞানী একটা নতুন দিশা দেখিয়েছিলেন তাঁদের নাম হল জন ডীন ও তাঁর ভাই চার্লস ডীন। এই দুই ভাই স্কুলের লেখা পড়া শেষ করে বানিজ্যিক জাহাজে কর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন। যে কোন বন্দরে বা জাহাজের মধ্যে সব থেকে বড় সমস্যা হত আগুন লেগে গেলে। অনেকে বহু চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও বাণিজ্যিক সামগ্রী বা পণ্যের অনেক ক্ষতি হয়ে যেত।

১৮২০ শালে, ইংল্যান্ডের এক বন্দরে একদিন আগুন ধরে যায়। আগুন ক্রমে বারতে বারতে কাছেই একটি আস্তাবলে ছড়িয়ে পরে। আস্তাবলের ভিতরে তখন অনেক গুলি ঘোড়া বাঁধা অবস্থায় ছিল। বিধ্বংসী ওই আগুনের মধ্যে ঘোড়াগুলির আর্ত চিৎকারে জন নিজেকে সংযত করতে পারেন নি। জাহাজের পণ্যের মধ্যে তখন একটি নাইট যোদ্ধাদের বর্ম ছিল। জন সেই বর্ম গায়ে চাপিয়ে নেন। আর বর্মের হেলমেট এর মধ্যে তিনি একটি আগুন নেভানোর জলের পাইপ লাগিয়ে নেন। সেই পাইপ এর অন্য প্রান্ত লাগিয়ে দেওয়া হয় একটি Double bellows pump এর সাথে। এই পাম্পের সাহায্যে বাতাস পাঠানো হবে হেলমেট এর মধ্যে আর বর্মের কারণে আগুনের মধ্যে যাতায়াত করতে কোন অসুবিধা হবে না। ব্যাপারটা লিখিত ভাবে প্রকাশ করতে যত সোজা, কাজটা সত্যি সত্যি  করা বহুগুণ কঠিন। কিন্তু কথিত আছে সেদিন জন ডীন আস্তাবলের সব কটি ঘোড়াকে আগুনের গ্রাস থেকে বাঁচিয়ে নিয়ে এসেছিলেন। ব্যাস! আর ঘুরে তাকাতে হয়নি দুই ভাইকে। তাঁদের এই সাহসিকতার খবর প্রকাশ্যে আসতেই সবাই তাঁদের পদ্ধতি অনুকরণ করতে শুরু করে। তখন তাঁরা ইংল্যান্ডের বিখ্যাত জাহাজ নির্মাতা এডওয়ার্ড বার্নার্ড এর আর্থিক সহায়তায়, ১৮২৩ শালে, এই “স্মোক হেলমেট” (Smoke Helmet) বানিয়ে ফেলে। এই হেলমেট আবিষ্কারের মূল উদ্দ্যেশ্য দমকল কর্মীদের জন্যে হলেও এর খ্যাতি চারিদিকে ছড়িয়ে পরে এবং অল্প দিনের মধ্যেই অনেক বিজ্ঞানী এই বিষয়ে গবেষণা শুরু করে দেন। ১৮২৭ খ্রিষ্টাব্দে এই একই পদ্ধতি অবলম্বন করে অগাস্টাস সিবে, প্রথম ডুবুরিদের জন্য বিশেষ পোশাক তৈরি করেন।

 

আধুনিক স্মোক হেলমেট এর পূর্ব পুরুষ।

জন ডীন ও চার্লস ডীনের আবিষ্কার তখন আরও নতুন নতুন ভাবে ব্যাবহার করা শুরু হয়েছে। একই পদ্ধতি অবলম্বন করে গভীর জলের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ কাজ করার জন্যে আবিষ্কার হয়েছে বিশেষ ডুবুরির পোশাক। সাফল্যের সাথে সেই পোশাক এর ব্যাবহার ও ক্রমে প্রচার পেল। এই সময় ১৮৫৭ শালে স্কটিশ বিজ্ঞানী জন স্টেনহাউস তাঁর গবেষণাগারে চারকোল এর একটি বিশেষ গুণ আবিষ্কার করেন। কাঠ কয়লার সাহায্যে বাতাসের মধ্যেকার দূষিত পদার্থ দূর করা যায়। আবিষ্কার তো করলেন কিন্তু প্রয়োগ করবেন কোথায়?

সোনার চামচ মুখে দিয়ে জন্মেছিলেন জন স্টেনহাউস। বাবার সম্পত্তির বেশীর ভাগ অংশের সদ ব্যাবহারে তাঁর জীবনে সুখ স্বাচ্ছন্দ্যের কোনদিন অভাব হয়নি। কিন্তু সব কিছুর একটা শেষ আছে। দেখতে দেখতে পৈতৃক সম্পত্তির সঞ্চয় ও ফুরিয়ে আসে। ১৮৫০ এ তাঁর বাবার প্রতিষ্ঠিত বহু পুরানো নগদ লেনদেনের ব্যাবসা ডুবে যাওয়ায় উনি নিজের কাজের দিকে মন দিলেন। ছাত্রাবস্থায় রসায়নের কৃতি ছাত্র যোগ  দিলেন একটি কলেজে অধ্যাপনার কাজে। ক্রমে নানা বিপর্যয়, সংঘাত ইত্যাদি অতিক্রম করে অবশেষে নিজের একটি কারখানা স্থাপন করলেন। ইতিমধ্যে একবার স্ট্রোক হয়ে যাওয়ার কারণে তিনি প্রায় পঙ্গু হয়ে পরেছিলেন। বিভিন্ন কলেজের কৃতি ছাত্রদের নিয়ে তিনি নিজের কাজ চালিয়ে গেলেন। চিনি তৈরির পদ্ধতি, আঠা, কাপড়ের ওপর রঙ কে স্থায়ী করার পদ্ধতি আবিষ্কারের সাথে সাথে আবিষ্কার করে ফেললেন একটি বিশেষ মুখোশ। কাঠ কয়লার বিশেষ শোষণ ক্ষমতার গুণকে কাজে লাগিয়ে উনি জন ডীন এর স্মোক হেলমেট কে সংশোধিত করলেন। যাত্রা শুরু হল চারকোল রেস্পিরেটর আর চারকোল এয়ার- ফিল্টার এর। (Charcoal respirator or Charcoal Air-filter)  

 

১৮৭১, দূষিত বাতাস ও জন টিন্ডাল।

বিখ্যাত গবেষক গবচন্দ্র, না না! বিখ্যাত গবেষক মাইকেল ফ্যারাডের বন্ধু জন টিন্ডালের নাম আমরা একটু হলেও জানি। চট করে মনে পরতে চাইছে না? স্মৃতির পাতায় বেশিদূর নয়, ওই ক্লাস সেভেন এ ফিরে যান। আমরা যারা বাংলা মিডিয়ামে পড়েছি তাঁদের ছাত্রাবস্থায় একটি নতুন বিষয়ের শিক্ষা শুরু। ভৌত বিজ্ঞান! আর এর একটি অধ্যায় ছিল দ্রবণ। আর সেখানেই আমাদের আলাপ এই জন টিন্ডালের সাথে। তাঁরই আবিষ্কার টিন্ডাল এফেক্ট। কোন দ্রবণের মধ্যে দিয়ে আলো যাওয়ার সময় বিক্ষিপ্ত হয় দ্রবণে ভেসে থাকা কণার জন্য। আর তাই আলোর গতিপথ দেখতে পাওয়া যায়।

অন্যান্য বহু আবিষ্কারের মধ্যে টিন্ডাল সাহেব একদিন একটি বিশেষ যন্ত্র আবিষ্কার করে ফেললেন। লুই পাস্তুর তখন প্রথম জীবাণুর সংজ্ঞা কে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। খোলা বাতাসের মধ্যে যে কোন জৈব পদার্থে পচন ধরে বাতাসে উপস্থিত জীবাণুর কারণে। টিন্ডাল সাহেব বাতাসের মধ্যে দিয়ে আলোর গতিপথ নিয়ে না না গবেষণা করছিলেন। তিনি কল্পনা করলেন এমন একটি বাতাসের যা কিনা যে কোন ভাসমান উপাদান থেকে মুক্ত হবে, অপটিক্যালি পিউর এয়ার (Optically Pure Air)। একটি ছোট কাঠের বাক্সে তিনি কিছু কাঁচের স্ল্যাব পর পর একটি বিশেষ দূরত্বে সাজিয়ে রাখলেন। এই স্ল্যাব গুলির ওপর আর কাঠের বাক্সের ভিতর দিকে তিনি গ্লিসারিন এর একটি আস্তরণ লাগিয়ে দিলেন। কিছুদিন বাদে ওই বাক্সের গায়ে একটি কাঁচের জানলা দিয়ে আলো ফেলতে উনি প্রথম অপটিক্যালি পিওর এয়ার এর সন্ধান পেলেন। অর্থাৎ ওই বাক্সের ভিতরের বাতাসে কোন ভাসমান কণার অস্তিত্ব নেই। গ্লিসারিনের আস্তরণ আসলে বাতাসের সমস্ত কণা কে আটকে দিয়ে একটি আপাত শুদ্ধ বাতাসের সৃষ্টি করেছে।

নিজের পরীক্ষার সাফল্য কে নিশ্চিত করার জন্যে উনি লুই পাস্তুরের গবেষণার সাহায্য নিলেন। বাতাসের মধ্যে যদি সত্যি জীবাণু থেকে থাকে, তাহলে এই পরীক্ষা প্রমাণ হবে যে আদৌ ওই বাক্সে শুদ্ধ বাতাস তৈরি হয়েছে কি না। এক টুকরো মাংস খণ্ড কে তিনি গরম জলে ভালো করে ফুটিয়ে নিলেন। তারপর কাঁচের বাক্সের বাতাস কে ভালো ভাবে দূষণ মুক্ত করে তিনি সেই মাংস খণ্ড রেখে দিলেন বাক্সের ভিতরে। কথিত আছে, এই প্রথম পরীক্ষায় প্রায় শুদ্ধ বাতাস পূর্ণ ওই বাক্সের মধ্যে মাংস খণ্ডটি এক মাসের কিছু বেশী সময় অব্দি ভালো ছিল। কোন পচন শুরু হয়নি। তাঁর এই পরীক্ষা কে জন সমক্ষে আনার জন্যে তিনি আপিল করলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে সেই প্রথম দিনের পরে তিনি যতবার এই পরীক্ষা করেছেন, ততবার বিফল হয়েছেন।

না না, রায় ও মারটিন এর সহায়িকা সেই সময় ছিলনা বলে বিফল হয়নি। সাফল্যের পথে বাঁধা ছিল Endospore। গরম জলে ফুটিয়ে নেওয়ার কারণে মাংস খণ্ডে ব্যাকটেরিয়া কিছু অবশিষ্ট ছিল না বটে। কিন্তু কিছু ব্যাকটেরিয়ার Spore বা Endospore গরম জলের মধ্যেও মরে না। এই Endospore কে নির্মূল করার জন্যেই আবিষ্কার হল টিন্ডালাইজেশন। আধুনিক ডাক্তারি ভাষায় অটোক্লেভ করা। অর্থাৎ ১২১ ডিগ্রি তাপমাত্রায় জলীয় বাষ্প ১৫psi বাতাসের চাপে যে কোন বস্তুকে সম্পূর্ণ রূপে জীবাণু মুক্ত করা যায়। আর ঘুরে তাকাতে হয়নি জন টিন্ডাল কে। তিনি তাঁর অপটিক্যাল পিওর বাতাস আবিষ্কারের যন্ত্রের সাহায্যে সবাইকে বিশ্বের প্রথম এয়ার- ফিল্টার উপহার দিলেন।

 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ আর এয়ার ফিল্টার???

১৮৭৬ শালে টিন্ডাল সাহেবের এয়ার ফিল্টার সাফল্য সহ বাজারে চলে আসার পর থেকে বিভিন্ন কারখানা, খনি অঞ্চল ইত্যাদি জায়গায় এর অবাধ ব্যাবহার শুরু হয়ে যায়। কিন্তু এই যন্ত্র বানানো যেমন ব্যায়বহুল ছিল সেরকমই ভারি ও বিরাট আকারের ছিল। একেই নতুন রূপ দেওয়ার পদ্ধতি আবিষ্কারে তাই বহু বছর কেটে যায়। এরপর আসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। গোটা বিশ্বের মানচিত্রে অনেক রদবদল। কিছু বছর যেতে না যেতেই শুরু হয়ে গেল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। এই সময় অর্থাৎ ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দে আমেরিকা একটি বিশেষ অস্ত্র নির্মাণের কাজে হাত দিয়েছে সদ্য। সারা বিশ্ব থেকে শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক, কারিগর, অধ্যাপক সবাই এসে যোগদান করছেন এই যুগান্তকারী কর্ম কাণ্ডের সঙ্গে। সরকারী তরফে এই কাজের নাম দেওয়া হয়েছিল ম্যানহাটান প্রজেক্ট। বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমার সৃষ্টি। এখানে কর্মচারীদের সুরক্ষার কথা ভেবে বাতাস থেকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ মুক্ত করার জন্য সাধারণ এয়ার ফিল্টার কে বিশেষ রূপ দেওয়া হয়। আমেরিকান বিজ্ঞানীরা এই নব নির্মিত এয়ার ফিল্টার এর নাম দিলেন হেপা (HEPA) ফিল্টার, High Efficiency Particulate Air Filter.  

অত্যাধুনিক এয়ার ফিল্টারের যাত্রা শুরু এই হেপা ফিল্টারের হাত ধরে। এর পর ১৯৬৩ তে জার্মান বিজ্ঞানী ক্লাউস হামেজ হেপা ফিল্টারের বেশ কিছু সংশোধন করেন এবং যন্ত্রের একটি সরল রূপ দেন। আমেরিকায় তখন ব্যাক্তিগত ভাবে ঘরের মধ্যে রাখা যাবে এমন আকারের হেপা ফিল্টার বানানো শুরু হয়ে গেছে। তাঁরা তখন ক্লিন এয়ার অ্যাক্ট নামের একটি আইন ও প্রণয়ন করেছেন আমেরিকা জুড়ে।  বিভিন্ন সুনাম, দুর্নাম, ও অনামি কোম্পানি বীর দর্পে এই কাজে ঝাঁপিয়ে পরল। কারণ আর কিছুই নয় কঞ্জিউমার। গোটা আমেরিকায় তখন ক্লিন এয়ার অ্যাক্ট এর জন্য এয়ার ফিল্টারের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। (১৯৫৬ তে ইংল্যান্ডে প্রথম এই আইন পাশ হয়।) ঘরে ঘরে একটি করে এয়ার ফিল্টার লাগাতে তখন সবাই উৎসুক। কিছু কোম্পানি শুধুমাত্র এই এয়ার ফিল্টার বানিয়েই খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিল।  

এর পরে ১৯৯০ শালে অস্টিন এয়ার প্রথম আধুনিক হেপা ফিল্টারের একটি নতুন রূপ দিলো। এর আগে সব এয়ার ফিল্টার এক দিক থেকে দূষিত বাতাস টেনে নিয়ে অন্য দিক থেকে শোধন করা বাতাস ঘরের মধ্যে দিত। অস্টিন কম্পানির এই নতুন এয়ার ফিল্টার ৩৬০ ডিগ্রি ক্ষেত্র থেকে হাওয়া টেনে নিয়ে শোধন করতে পারবে। ২০০০ শাল থেকে ক্রমে এয়ার ফিল্টারের সাথে একটি একটি করে নতুন বৈশিষ্ট যোগ হয়েছে। Ionization, Ultra-violet lighting, Activated carbon, Ozone generation, prophylactic oxidation, আরও কত কি।

 

যা বোঝা গেল তাহলে, হেপা ফিল্টার শুধু করোনার জন্য নয়। এর গুরুত্ব বহুদিন আগে থেকেই ছিল। ক্রমশ নিজেকে আরও সুসজ্জিত করে আজেকের দিনে আমরা হেপা ফিল্টারের এই রূপ দেখতে পাচ্ছি। চেম্বারের জন্য যখন কিনছেন এবার হয়ত একটু সুবিধা হবে জিনিসটির সম্পর্কে একটা সম্যক ধারণা করতে। আর আমার এই লেখার সাফল্যে আমি রায় ও মারটিন, ছায়া প্রকাশনী কাউকে ধন্যবাদ দিতে চাইনা। চোতা করে তথ্য সাজাতে সাহায্য করেছে উইকিপিডিয়া। গল্পের সূত্রধর, ও রচনা বিস্তারে আমি স্বয়ং।


(C) পাগলা দাশু

যদি সম্ভব হয় কমেন্ট করে জানাবেন কেমন লাগলো। 
ভালো লাগলে লাইক ও শেয়ার করবেন।
আমার লেখা অন্যান্য বিষয়।


(C) Dr. Arka Bhattacharya,2020-2025. 

 

  

 


Narcissistic Personality Disorders??

Narcissistic Personality Disorders This is an era of social media. When someone posts too many selfies or pictures about their d...